জিয়াউল আহসানের আইনজীবী নাজমুন নাহার আদালতকে বলেন, তাঁর মক্কেল কখনো ডিজিএফআইয়ে কর্মরত ছিলেন না। তিনি ‘আয়নাঘর’ (গোপন বন্দীশালা) বানাননি। ফেসবুকে তাঁকে নিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল করা হচ্ছে। গত ৭ আগস্ট বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয়।
অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ উল্লাহ খান আদালতকে বলেন, এই আসামি অপরাধী।
শুনানির এক পর্যায়ে জিয়াউল আহসান আদালতকে বলেন, ‘আমাকে ৭ আগস্ট বাসা থেকে নিয়ে গেছে। আমি আয়নাঘরে ছিলাম। আমি কোনো আয়নাঘর বানাইনি। আমার হার্টের ৭০ ভাগ ব্লকড। আমাকে স্বেচ্ছায় অবসর দেওয়া হয়েছে। আমি কখনো ধানমন্ডিতে যাইনি। এনটিএমসি কেবল ডিজিটালি গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে। আমার নামে আগে কখনো মামলা হয়নি।’
ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মধ্যে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। এরপর গত মঙ্গলবার মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
আজ শুক্রবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) একটি খুদে বার্তায় জিয়াউল আহসানকে গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। বলা হয়, নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
0 Comments